৯ টাকা খরচ ৬৪ টাকা বিল, ভূতনি দুর্নীতির আতরঘর।
মানিকচক;
বালির বস্তায় সাড়ে ন’টা টাকা খরচ ৬৪ টাকা বিল দুর্নীতির শিখরে দপ্তর এমনটাই দাবি করলেন সিটু নেতৃত্ব। ভুতনির কাটা বাঁধ পরিদর্শনে বামফ্রন্টের প্রতিনিধি, ক্ষোভ উপড়ে দিলেন ভূতনি এবার জলে ভাসলে সেচ দপ্তরের প্রতিনিধিদের এনে জলে ডোবাবো, হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি সিটু জেলা সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ এর বন্যায় অতিরিক্ত জলের চাপ কমাতে দক্ষিণ চন্ডিপুর এলাকায় স্থানীয়রা বাঁধের কিছু অংশ কেটে ফেলে। সেই কাটা অংশ দিয়ে প্লাবিত এলাকার জল ফুলোহর নদীতে গিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে কাটা বাঁধের পাশ দিয়ে একটি রাস্তা তৈরি করা হয় স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে। কিন্তু কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। ইতিমধ্যেই ফুলোহর নদীর জল বাড়াতে কাটা বাধের অংশ দিয়ে জল ঢুকছে এলাকায় এমনটাই দাবি করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান এখানে স্থায়ীভাবে সুইচ গেটের প্রয়োজন। তাছাড়া কোনভাবেই ভুতনিকে রক্ষা করা যাবে না। ভুতনির মানুষ আবার বন্যার সম্মুখীন হবে।
আজ কাটা বাধ পরিদর্শনে যান দেবজ্যোতি সিনহা, শ্যামল বসাক সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান কিছু মানুষ ভুতনিকে ডুবাতেই আগ্রহী। গতবারের কোটি কোটি টাকা লুট হয়েছে এই বন্যাকে সামনে রেখে। জেনারেটর খিচুড়ি নৌকার বিল লক্ষ লক্ষ টাকা হয়েছে ,যা দুর্নীতি প্রকাশ্যে। আমরা চেয়েছিলাম কাটা বাঁধ অংশে সুইচগেট হোক। কিন্তু তার পরিবর্তে কুড়িখানা পাইপ দিয়ে সাধারণ রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে যা বন্যার জল কোনভাবেই থামতে পারবে না। আগামীতে বৃহত্তম আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তিনি।